Accessibility Tools

বইয়ের নাম - লেখক
রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী
রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী
0/59
রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

তেরো – দু-শো ডলার দশ সেন্ট

শোয়ার জন্য জামা খুলতে গেছিলাম, ফোন বাজল। ওপাশ থেকে ডিনা ব্র্যান্ড নালিশ করল, সে নাকি দশটা থেকে আমাকে ধরতে চাইছে।

‘আপনাকে যা বলেছিলাম, সেই নিয়ে কি কিছু করেছেন?’ মেয়েটা জানতে চাইল।

‘আমি একটু খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। মনে হচ্ছে, জিনিসটায় কাজ হবে। আমি আজ বিকেলে ওই লাইনে এগোব।’

‘এগোবেন না। আপনাকে কয়েকটা কথা বলা দরকার। আপনি কি এখনই একবার আসতে পারবেন?’

পরিপাটি বিছানাটার দিকে তাকিয়ে ঝিমঝিম গলায় আমি বললাম, ‘আসছি।’

এক বালতি ঠান্ডা জল ঢেলে নিজেকে কিছুটা উজ্জীবিত করার চেষ্টা করলাম। লাভ হল না। ওখানেই প্রায় ঘুমিয়ে পড়ছিলাম। ঘষটে ঘষটে ডিনা-র বাড়ি পৌঁছোলাম। ড্যান রল্্ফ নির্বিকার মুখে দরজা খুলে দিল। ডিনা আমার কোটটা নিল। দেখলাম, মেয়েটার এই পোশাকটাতেও কাঁধের কাছে সেলাই খুলে গেছে!

‘একটা অনুরোধ আছে আপনার কাছে। আচ্ছা, আপনি তো আমাকে বেশ পছন্দই করেন, তাই না?’ আমার পাশেই সোফায় বসে বলল ডিনা। আমি কথাটা মানতে বাধ্য হলাম। মোলায়েম গলায় মেয়েটা বলল, ‘কাল রাতে আপনাকে আমি যা যা বলেছিলাম, সেগুলো নিয়ে কিছু করবেন না।’

আমি ওকে নিয়ে কী ভাবছিলাম, সেটা বোধ হয় বেশিই স্পষ্ট হয়ে মুখে ফুটেছিল। হুড়মুড়িয়ে ও বলে চলল, ‘এক মিনিট! আমার পুরো কথাটা শুনে নিন। ড্যান ঠিকই বলেছিল। আমার ওভাবে ম্যাক্সকে ফাঁসানো উচিত হবে না। সেটা সত্যিই বড্ড… নোংরা হবে। তা ছাড়া, আপনি তো আসলে নুনানকে টাইট দিতে চান, তাই না? আপনি এবারের মতো ম্যাক্সকে ভুলে যান। নুনানকে শায়েস্তা করার মতো যথেষ্ট মালমশলা আমি আপনাকে দিচ্ছি। তা ছাড়া আপনিও তো ভদ্রলোক। ম্যাক্সের ওপর রেগে আমি যা বলেছি, সেসব কাজে লাগিয়ে কাউকে ফাঁসানোর মতো খারাপ কাজ আপনি নিশ্চয় করবেন না, তাই না?’

‘নুনানকে নিয়ে আপনি আমাকে কী বলতে পারবেন?’

আমার বাইসেপগুলো প্রায় মালিশ করতে করতে মেয়েটা বলল, ‘আপনি কথা দিচ্ছেন তো?’

‘এখনও না।’

‘আমি ম্যাক্সকে ছেড়ে দিয়েছি, জন্মের মতো।’ ঠোঁট ফুলিয়ে বলল মেয়েটা, ‘কিন্তু তাই বলে আপনি আমাকে দিয়ে দু-নম্বরি করাতে পারেন না।’

‘নুনানের কথাটা বলুন।’

‘আগে আপনি কথা দিন।’

‘উহু।’

‘আপনি… এর মধ্যেই নুনানের কাছে চলে গেছেন?’ মেয়েটা আমার হাতে নখ বিঁধিয়ে দিল।

‘হ্যাঁ।’

আমার হাত ছেড়ে দিল ডিনা। ভ্রূ কুঁচকে, বিষণ্ণ গলায় ও বলে উঠল, ‘তাহলে আর…!’

আমি উঠে দাঁড়ালাম। পেছন থেকে একটা ভারী ফিসফিস ভেসে এল, ‘বসুন।’

পেছন ফিরে থ্যালারকে দেখলাম। ডাইনিং রুমের দরজায়, নিজের ছোট্ট হাতের পক্ষে একটু বেশি বড়ো আকারের একটা বন্দুক আমার দিকে উঁচিয়ে, দাঁড়িয়ে ছিল ও। ওর পেছনে ছিল লাল, বিক্ষত মুখের একটা লোক।

আমি বসে পড়লাম। হলের দিকের দরজাটা দিয়ে জেরি নামের লোকটা ভেতরে এগিয়ে এল। ওর সঙ্গেও গোটা দুয়েক বন্দুক আছে দেখলাম। সোনালি-চুলো দুটো ছেলের একজনকেও ওর কাঁধের পেছন থেকে উঁকি মারতে দেখলাম।

ডিনা ব্র্যান্ড উঠে দাঁড়াল। থ্যালারের দিকে পেছন দিয়ে, আমার দিকে ঘুরে ও মুখ খুলল। রাগে ওর গলা কাঁপছিল।

‘আমি এসব করিনি। ও নিজেই এখানে এল। রাগের মাথায় ও আমাকে যা বলেছিল সেজন্য দুঃখপ্রকাশ করল। ও-ই বলল, কীভাবে আমরা নুনানকে ফাঁসানোর মতো জিনিস আপনার হাতে তুলে দিয়ে… লাভবান হতে পারি। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, এই পুরোটাই সাজানো ব্যাপার ছিল, আপনাকে ফাঁদে ফেলার জন্য। বিশ্বাস করুন! কথা ছিল, ও ওপরে অপেক্ষা করবে, যখন আমি আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করব। কিন্তু এইসব… অন্যরাও যে আসবে… আমি সত্যি কিছু…’

‘ওর এক পায়ে গুলি করলে ও বসে পড়বে, হয়তো চুপও করবে।’ জেরির আলগা গলা পেলাম, ‘করব?’

আমি হুইস্পারকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। মাঝে ডিনা দাঁড়িয়ে ছিল। আমি ওর গলাই শুনলাম, ‘এখন না। ড্যান কোথায়?’

সোনালি চুলো ছেলেটা বলল, ‘বাথরুমের মেঝেতে। আমি ওকে শুইয়ে এসেছি।’

ডিনা থ্যালারের দিকে ঘুরে চিৎকার করল, ‘ম্যাক্স থ্যালার! তোমার মতো একটা…’

‘চুপ করো, আর সরে যাও।’ ফিসফিস করে ভেসে আসা কথাগুলোয় এমন কিছু ছিল যে রেগে আগুন অবস্থাতেও মেয়েটা কথা শুনল।

‘তাহলে আপনি আর নুনান মিলে এখন ওর ভাইয়ের খুনটা আমার ওপর চাপাতে চাইছেন?’

‘চাপাতে হচ্ছে না। এমনিই চাপছে।’

‘আপনিও ওরই মতো তাহলে। দু-নম্বরি!’ থ্যালারের পাতলা ঠোঁট বেঁকে গেল।

‘কথাটা যে ভুল, আপনিও জানেন। যখন ও আপনাকে ফাঁসাতে চাইছিল, তখন আমি আপনার দিকে ছিলাম। এবার ও যেটা করছে, সেটা অন্যায় নয়।’

ডিনা ব্র্যান্ড আবার লাফিয়ে উঠল। ঘরের মাঝে দাঁড়িয়ে ও চিৎকার করল, ‘বেরিয়ে যাও! তোমাদের এই ঝামেলায় আমি কেন থাকব? বেরোও!’

যে সোনালি চুলো ছেলেটা রল্্ফকে ‘শুইয়েছিল’ সে হেসে এগিয়ে এল। ডিনা-র একটা হাত মুচড়ে ও পেছনদিকে নিয়ে গেল। মুশকিল হল, ডিনা ঠিক রল্্ফের মতো সুবোধ ছিল না। ও ঘুরে অন্য হাত দিয়ে ছেলেটার তলপেটে একটা ওজনদার ঘুসি মারল। ঘুসিটা দমদার ছিল। ছেলেটা কয়েক পা পিছিয়ে গেল।

বড়ো বড়ো কয়েকটা শ্বাস নিয়ে ছেলেটা কোমর থেকে একটা ডান্ডা বের করল। তারপর ডিনা-র দিকে সাবধানে এগিয়ে এল ও। এবার আর ওর মুখে হাসি ছিল না। তবে জেরি হাসল। থ্যালারের কর্কশ ফিসফিস ভেসে এল, ‘আর না। ব্যস!’

ছেলেটা শুনতে পায়নি। মেয়েটার দিকে হিংস্র চোখে তাকিয়েছিল ও। ডিনাও শক্ত মুখে ছেলেটাকে দেখছিল। নিজের বাঁ-পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়েছিল ডিনা। আমি বুঝলাম, কাছে আসামাত্র ছেলেটার পেটে ডান পায়ের একটা জবরদস্ত লাথি পড়তে চলেছে।

ছেলেটা নিজের বাঁ-হাত দিয়ে মারার ভান করল, পরক্ষণেই ডান্ডাটা চালাল ডিনা-র মাথা লক্ষ্য করে। থ্যালার আবার বলল, ‘আর না!’ তারপরেই গুলি করল।

গুলিটা ছেলেটার ডান চোখের ঠিক নীচে লাগল। লাট্টুর মতো ঘুরে ছেলেটা ডিনা-র দু-হাতের মধ্যেই পড়ল। আমি বুঝতে পারলাম, এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর পাওয়া যাবে না।

ঘরের মধ্যে পারা চড়তে শুরু করামাত্র আমি কোমরের পেছনে হাত নিয়ে গেছিলাম। এবার বন্দুক বের করে থ্যালারের কাঁধ লক্ষ করে গুলি করলাম। ভুল হল। আমি ওর মাথার দিকে গুলি চালালে গুলিটা হুইস্পারের গায়ে কোথাও অন্তুত লাগত। ওর পাশে দাঁড়ানো জেরি আমার আগেই বন্দুক তুলে ফেলেছিল। ওর চালানো গুলিটা আমার হাতে লাগল। আমি থ্যালারকে ফসকালাম। কিন্ত্যু গুলিটা পাশের লালমুখো লোকটাকে ধরাশায়ী করল।

হাতের অবস্থা কেমন সেটা বুঝতে পারছিলাম না। বন্দুকটা অন্য হাতে নিলাম। জেরি আরেকবার আমাকে নিশানায় নিয়েছিল, কিন্তু ডিনা ওর দু-হাতের মধ্যে ধরা লাশটা ছুড়ে ওকে টলিয়ে দিল। আমি জেরির দিকে ঝাঁপ দিলাম। ভাগ্যিস ঝাঁপিয়েছিলাম, নইলে থ্যালারের গুলিটা হজম করতে হত।

জেরি আর আমি হলে আছড়ে পড়লাম। থ্যালার পেছনে আছে বলে জানতাম, আমার হাতে সময় বেশি নেই। দুটো ঘুসি, একটা লাথি, নিজের শক্ত মাথা দিয়ে ওর নাকে সপাটে একটা ঘা…! কোথাও একটা কামড়ানোর কথাও ভাবছিলাম, তবে তার দরকার হল না। জেরি স্থির হয়ে গেল। আমি হামাগুড়ি দিয়ে দরজা থেকে একটু দূরে সরে গেলাম, যাতে থ্যালারের গুলি সহজে আমার নাগাল না পায়।

বন্দুকটা হাতে নিয়ে, দেওয়ালে গা যথাসাধ্য মিশিয়ে আমি অপেক্ষা করতে থাকলাম। একটু পর ডিনা ওই দরজা দিয়েই হলে এল। জেরিকে দেখে ওর মুখে হাসি ফুটে উঠল। মাথা ঝাঁকিয়ে আমাকে অনুসরণ করতে বলে ও আবার ঘরে ঢুকল। আমি সতর্কভাবে, বন্দুকটা উঁচিয়েই ওর পিছু নিলাম।

ঘরের ঠিক মাঝে দাঁড়িয়ে ছিল হুইস্পার। ওর হাত আর দৃষ্টি একেবারে ফাঁকা ছিল। ওর চেহারা দেখে কাপড়ের দোকানে দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা মুখের পুতুলগুলোর কথাই মনে হত। ড্যান রল্্ফ ওর পেছনেই দাঁড়িয়ে ছিল। ওর রক্তাক্ত মুখ দেখে বুঝতে পারছিলাম, সোনালি-চুলো, এখন মৃত ছেলেটা ওকে ‘শোয়াতে’ সত্যিই খুব চেষ্টা করেছিল। তবে রল্্ফের হাতের বন্দুকটা একদম অনড় হয়ে হুইস্পারের পেছনে ছিল। দৃশ্যটা দেখে বড়ো খুশি হলাম। রল্্ফের অন্য হাতে আরেকটা বন্দুক আছে সেটা দেখে এবং সেটা আমার দিকে তাক করা আছে দেখে আনন্দটা কমে গেল। তারপর ভাবলাম, আমার বন্দুকটাও তো ওদিকেই উঠে আছে। দু-জনেই মোটামুটি একই জায়গায় আছি তাহলে।

‘আপনার পিস্তলটা নামান।’ রল্্ফ শান্ত গলায় বলল।

আমি উদ্ভ্রান্তের মতো ডিনার দিকে তাকালাম। ও কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, ‘এটা তো ড্যানেরই আসর হয়ে গেছে এখন। ও যা বলছে তাই করুন।’

‘তাই নাকি? আপনি ওকে বলেননি, আমি অন্যের কথায় নাচি না?’

‘পিস্তলটা নীচু করুন।’ একইরকম নিস্তেজ গলায় বলল রল্্ফ।

‘মাথা-ফাথা খারাপ নাকি আপনার?’ আমি তেড়িয়া হয়ে বললাম, ‘এই রামপাখিটিকে ধরতে গত দু-দিনে কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তার কোনো ধারণা আছে আপনার? নামাব না, যান!’

‘আপনাদের মধ্যে কী হয়েছে আমি জানি না।’ রল্্ফ বলল, ‘আমি আপনাদের কাউকেই…’

ইতিমধ্যে ডিনা রল্্ফের পেছনে চলে গেছিল। আমি ওকেই বললাম, ‘আপনি যদি হাতের তাসগুলো দিয়ে ঠিকঠাক খেলেন, তাহলে দু-জন বন্ধু পাবেন– আমি আর নুনান। থ্যালারকে যে আপনি আর বিশ্বাস করতে পারেন না, সেটা নিশ্চয় এতক্ষণে বুঝে গেছেন!’

‘নারায়ণ নারায়ণ!’ হেসে উঠল ডিনা, ‘নগদ নারায়ণের কথা বলুন, স্যার।’

‘ডিনা!’ রল্্ফ আপত্তি জানাল। কিন্তু গুলি না করলে যে ডিনাকে থামানো যাবে না, আর রল্্ফের পক্ষে যে ডিনাকে গুলি করা সম্ভবই হবে না, এটা আমরা সবাই বুঝতে পারছিলাম।

‘এক-শো ডলার।’ আমি দর হাঁকলাম।

‘অবশেষে!’ মেয়েটা চেঁচিয়ে উঠল, ‘আপনাদের মধ্যে কেউ শেষে টাকার প্রস্তাব দিল আমাকে! কিন্তু এত কমে পোষাবে না।’

‘দু-শো ডলার।’

‘আপনি একটু বেশিই জোশ দেখাচ্ছেন। তবে আমি এখনও শুনতে পাচ্ছি না কিছু।’

‘কান পেতে শুনতে চেষ্টা করুন। রল্্ফের হাতে গুলি করে ওঁর বন্দুকটা ফেলে দেওয়া থেকে নিজেকে আটকাতে আমি ওটুকুই খরচা করব। ওর বেশি নয়।’

‘আহা! আপনি তো বেশ শুরু করেছেন। এখন ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেলে চলবে? আরেকটু উঠুন।’

‘দু-শো ডলার আর দশ সেন্ট। ব্যস।’

‘যাচ্ছেতাই!’ খেপে গেল মেয়েটা, ‘হবে না এতে।’

‘সেটা আপনার ব্যাপার।’ আমি থ্যালারকে বললাম, ‘যা-ই হোক না কেন, নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে একদম নড়াচড়া করবেন না।’

‘তার মানে?’ ডিনা চেঁচাল আবার, ‘আপনি কি সত্যিই…?’

‘আমি থ্যালারকে নিয়ে এখান থেকে বেরোব। এটাই শেষ কথা।’

‘দু-শো ডলার আর দশ সেন্ট?’

‘হ্যাঁ।’

‘ডিনা!’ রল্্ফ আমার দিক থেকে নজর না সরিয়েই বলল, ‘তুমি এ-সবের মধ্যে…’

ডিনা হেসে উঠল। তারপর রল্্ফকে জড়িয়ে ধরে ওর দু-হাত নীচে নামিয়ে আনল। আমি এক ধাক্কা দিয়ে থ্যালারকে একপাশে সরালাম। ডান হাতে বন্দুকটা ওর দিকে তাক করে আমি বাঁ-হাত দিয়ে রল্্ফের কাছ থেকে দুটো বন্দুক উদ্ধার করলাম। ডিনা রল্্ফকে ছেড়ে দিল। দু-কদম এগিয়ে, ‘এটা ঠিক হল না…’ বলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল ড্যান রল্্ফ।

ডিনা ওকে নিয়ে ব্যস্ত হল। আমি বন্দুকের আগায় থ্যালারকে চেপে, অজ্ঞান জেরিকে পাশ কাটিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামলাম। ওখানে একটা ফোন ছিল। নুনানকে বললাম, আমি কোথায় আছি, আর কার সঙ্গে আছি।

‘কী সাংঘাতিক!’ নুনানের আর্তনাদ ভেসে এল ওপাশ থেকে, ‘আমি পৌঁছোনোর আগেই ওকে মেরে ফেলবেন না। আমি আসছি।’