চোদ্দো – ম্যাক্স
হুইস্পার ধরা পড়েছে, এই খবরটা হু-হু করে ছড়িয়ে পড়েছিল। জ্ঞান ফিরে পাওয়া জেরি আর ওকে নিয়ে নুনান আর তার সৈন্যসামন্ত যখন সিটি হলে ঢুকছে, তখন সেখানে শ-খানেক লোক জমা হয়েছিল। তারা সবাই যে খুব খুশি হয়েছে এতে, এমনটা মনে হচ্ছিল না। এমনকী পুলিশেরাও, চটপট রাস্তা থেকে সরলে বাঁচে, এমনভাবে চলাফেরা করছিল। তবে নুনানের মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, মিসিসিপির পশ্চিমে ও-ই সবচেয়ে সুখী মানুষ।
হুইস্পার অনড় ছিল। ওর উদ্দেশে ছুড়ে দেওয়া নরম-গরম সব কথার উত্তরেই ও বলেছিল, ও শুধু ওর উকিলের সঙ্গে কথা বলবে, আর কারো সঙ্গে নয়। বুঝতে পারছিলাম, নুনান চাইছিল হুইস্পারকে ওর লোকেদের হাতে স্পেশাল খাতিরের জন্য তুলে দিতে। কিন্তু গ্রেফতার হোক বা না হোক, পয়জনভিলে হুইস্পারকে থার্ড ডিগ্রি দিলে কী হতে পারে সেটা ও জানত। শেষে ক্লান্ত হয়ে নুনান নিজের বন্দিকে সিটি হলের সবচেয়ে ওপরের তলার একটা কুঠুরিতে আপাতত কয়েদ করল।
আমি মির্টল জেনিসেনের বিস্তৃত বয়ান পড়ে শেষ করলাম। তাতে কোনো নতুন কথা ছিল না। ইতিমধ্যে যে লালমুখো হুইস্পারের হয়ে আমার গুলিটা হজম করেছিল, আর পরে ডিনা-র বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়েছিল, তাকে নুনানের লোকজন ধরে নিয়ে এল। তাকে রগড়েও নতুন কিছু পাওয়া গেল না, বরং হাসপাতালের আরেকটা বিছানা আটকে গেল লোকটার জন্য।
হাতে চোট, এই বাহানায় নুনানের বাড়িতে ডিনারের সাদর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করলাম। ওকে বললাম, ‘ডিনা ব্র্যান্ড-ই আমাকে ওখানে ডেকেছিল, নইলে হুইস্পারকে ধরা যেত না। ওকে আর রল্্ফকে এসব ঝামেলায় না জড়ালে ভালো হয়।’ গত ঘণ্টাদুয়েকে ষষ্ঠবারের জন্য আমার বাঁ-হাতটাই ঝাঁকিয়ে নুনান বলল, ‘আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন। এই বজ্জাতকে ধরার পেছনে যদি ওর ভূমিকা থাকে, তাহলে ওর বিপদে-আপদে আমাকে মেয়েটা পাশে পাবে।’
হোটেলে ফিরলাম। বিছানাটা চুম্বকের মতো আমায় টানছিল, কিন্তু খিদেও পেয়েছিল। ডিনার সেরে লবিতে বসে একটা চুরুট ধ্বংস করলাম। সেখানেই ডেনভারের এক রেল অডিটরের সঙ্গে অনেকদিন পর দেখা হয়ে গেল। গুছিয়ে আড্ডা মারছি দু-জনে, হঠাৎ বাইরে থেকে গুলিগোলার আওয়াজ ভেসে এল। দরজার কাছে গিয়ে বুঝলাম, গুলি চলছে সিটি হলের কাছেই। অডিটরকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে পড়লাম।
রাস্তার অর্ধেকের বেশি পেরোনোর পর দেখতে পেলাম, একটা গাড়ি ঝড়ের বেগে আমার দিকেই আসছে। ওটা থেকে পেছনদিকে কয়েকবার গুলি চালানো হল, এটাও দেখে ফেললাম ওইটুকু সময়েই। ঝটপট একটা গলিতে ঢুকে বন্দুকটা বের করলাম। গাড়িটা কাছে এল। তখনই অন্য একটা আলোয় গাড়ির ভেতরটা আলোকিত হল। ড্রাইভারকে চিনলাম না। পাশে বসা লোকটার মুখের আধখানা টুপিতে ঢাকা পড়লেও নীচের অংশটুকু চেনা গেল। হুইস্পার!
রাস্তার ওপাশে আরেকটা ব্লকের মুখ দিয়ে আরেকজন ছুটে গেল। এক ডাস্টবিন থেকে আরেকটার পেছনে লুকিয়ে লোকটা পালাতে চাইছিল। তবে আরও ইন্টারেস্টিং ব্যাপার, যেটা ওই আলো-অন্ধকারেও আমি দেখতে পাচ্ছিলাম তা হল, লোকটার পা বাঁকা!
ইতিমধ্যে একঝাঁক পুলিশ গাড়িটার দিকে গুলি চালাতে চালাতে ছুটে গেল। হুইস্পারের কথা ভুলে আমি বাঁকা পা-ওলা লোকটার প্রতি মনোযোগী হলাম। আমি জানতাম, লোকটার সশস্ত্র হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি নয়। তবু, চোখ-কান যথাসম্ভব খোলা রেখে আমি রাস্তা ধরে এগোলাম। একটু পরেই দেখলাম, লোকটা সন্তর্পণে আমার থেকে দূরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
‘দাঁড়ান, ম্যাকসোয়েন।’ আমি বললাম, ‘আপনি পালাতে চেষ্টা করলে গুলি করা ছাড়া আমার আর কোনো রাস্তা থাকবে না।’
‘ওহ্! আপনি…!’ ম্যাকসোয়েনের অভিনয়টা মন্দ ছিল না। তবে আমি তখন ওসব দেখার অবস্থায় ছিলাম না। কড়া গলাতেই বললাম, ‘আপনি রাতবিরেতে কোন অভিযানে বেরিয়েছেন?’
‘ওই আস্তাকুঁড়ে… মানে সিটি হলের একতলায় কেউ ডিনামাইট চার্জ করেছিল। ওখানে যে ক-জন কয়েদ ছিল, তারা সবাই পালিয়েছে। আমিও তাদের সঙ্গে ওখান থেকে বেরোই। পুলিশের সঙ্গে মারামারি করছিল কয়েকজন। তাদের বন্দুক কেড়েই গুলি-টুলিও চালিয়েছিল। আমি ওসব করিনি। ভেবেছিলাম এখান থেকে স্রেফ কেটে পড়ব। এখন…!’
‘হুইস্পারকে ওর দলের লোকেরা উদ্ধার করেছে।’
‘জানতাম!’ উত্তেজিত হয় ম্যাকসোয়েন, ‘ওই পাতি জেলে, তার ওপর এই শহরে ওকে কয়েদ করে রাখার ক্ষমতা নুনানের হবে না। তাই হল।’
আমরা তখনও গলিতেই ছিলাম। আমি বন্দুকটা ওর দিকে হালকা করে নিশানায় রেখেই বললাম, ‘আপনি জানেন হুইস্পারকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছিল?’
‘টিমকে মারার জন্য। আবার কেন?’
‘আপনি জানেন টিমকে কে মেরেছিল?’
‘হুইস্পার। আবার কে? আপনার মাথা-টাথা ঠিক আছে তো?’
‘আমার বাঁ-হাত একদম ঠিক আছে।’ শান্ত গলায় বললাম। লোকটা আবার একটু কুঁকড়ে গেল।
‘কিন্তু আপনি তো দেখেছেন… মানে শুনেছেন। ওই মেয়েটা তো বললই, টিম ওকে কী বলেছিল মরার আগে।’
‘টিম হুইস্পার বলেনি। এই শহরে মহিলারা থ্যালারকে ম্যাক্স বলেন। আর পুরুষেরা ওকে হুইস্পার বলে। আমি এখনও অবধি একজন পুরুষকেও পাইনি যে থ্যালারকে হুইস্পার ছাড়া অন্য কোনো নামে পরিচয় দিয়েছে।’
‘আপ… আপনি কী বলতে চাইছেন?’
‘টিম আদৌ ম্যাক্স বলেনি। ও একটা নামের ওই অংশ অবধি পৌঁছেই চোখ বুঁজেছিল। ম্যাকসোয়েন নামটার মধ্যেও তো ওই অংশটুকু আছে, তাই না?’
‘আপনি কি পাগল হলেন? আমি ওকে কেন মারতে যাব? টিম তো হুইস্পারের বান্ধবীর পেছনে…!’
‘আপনার আর আপনার বউয়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছিল।’ আমার মাথার মধ্যে চাকাগুলো ঘুরছিল বলে ছবিটা পরিষ্কার হচ্ছিল একটু-একটু করে, ‘সেটা কেন তা আমাকে এখনও কেউ বলেনি। তবে নুনানের ভাই, এই পরিচয়ে টিম বেশ কিছু বান্ধবী জুটিয়েছিল। তাদের মধ্যে কি আপনার স্ত্রীও ছিলেন? হতেই পারে। ব্ল্যাকমেইলিঙের এমন সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আপনি মির্টলের কাছ থেকে দু-শো ডলার নিয়েই খুশি ছিলেন। কেন? এরও এই একটাই ব্যাখ্যা হয়।’
‘পাগলামি করবেন না!’ লোকটার গলায় কিন্তু রাগের বদলে অনুনয়ের সুরটাই জোরালো হচ্ছিল, ‘এসব কী যা-তা বলছেন আপনি? আমি যদি ওকে মারতাম, তাহলে কি ওখানে থাকতাম? আমিও হুইস্পারের মতো একটা জবরদস্ত অ্যালিবাইয়ের ব্যবস্থা করতাম।’
‘উহুঁ। একজন ডিটেকটিভ হিসেবে আপনি ওখানে থাকলেই বরং সেটা বেশি স্বাভাবিক হত। আপনিও সেটাই চাইতেন, যাতে আপনার আর টিমের মধ্যে সম্পর্কের ব্যাপারে কেউ দুয়ে দুয়ে চার করে না ফেলে।’
‘এগুলো পাগলেও বিশ্বাস করবে না!’
‘পাগলকে নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। হুইস্পারের বিরহে নুনানের ঘুম হবে না রাতে। আমার এই ‘‘অনুমান’’-এর সঙ্গে আপনাকেও যদি ওর হাতে তুলে দেওয়া যায় তাহলে…’
‘হে ঈশ্বর!’ গলির মধ্যে হাঁটু মুড়ে, একেবারে কনফেশনের কায়দায় বসে পড়ল ম্যাকসোয়েন, ‘দয়া করে এমন কিছু করবেন না। নুনান তাহলে আর বিচার-টিচারের ধার ধারবে না। আমার গলা টিপেই ও আমাকে মেরে ফেলবে।’
‘তাহলে আমাকে সত্যিটা বলুন।’
‘কেন বলব?’ গুঙিয়ে উঠল ম্যাকসোয়েন, ‘আপনি যে আমাকে আরও ভালোভাবে ফাঁসাবেন না, তার কি কোনো নিশ্চয়তা আছে?’
আমি ঠিক করলাম, একটু হলেও সত্যি কথা ওকে বলাই যেতে পারে। বললাম, ‘আপনি হোটেলে আমাকে বলেছিলেন, আমি পয়জনভিলে কী করছি সেটা সম্বন্ধে আপনার একটা ধারণা আছে। সেই কাজের জন্য আমাকে নুনান আর হুইস্পারকে দু-দিকে রাখতে হবে। যতক্ষণ নুনান ভাবছে যে হুইস্পারই টিমকে খুন করেছে, ততক্ষণ আমার কাজটা সহজ হবে। কিন্তু আপনি যদি আমাকে সোজা কথা সোজাসুজি না বলেন, তাহলে আপনাকে নুনানের হাতে তুলে দেওয়া ছাড়া আমার কিছু করার নেই।’
‘আপনি ওকে কিছু বলবেন না?’ লোকটার চোখজোড়া জ্বলজ্বল করে উঠল, ‘কথা দিচ্ছেন?’
‘আমি আপনাকে কোনো কথা দিচ্ছি না, দেবও না। আর রাতভোর আমি এই গলিতে আপনার মতামত জানার জন্য দাঁড়িয়েও থাকব না। যা বলার চটপট বলে ফেলুন।’
লোকটা মনস্থির করে ফেলল। তারপর হড়হড়িয়ে বলে গেল কথাগুলো।
‘আপনি ঠিকই ধরেছেন। আমার বউ হেলেন ওই টিমের সঙ্গে…! তারপর থেকেই আমার মাথাটা খারাপ হয়ে যায়। আমি ঠিক করি, টিমকে টাইট করব। আপনি যাকে-খুশি-তাকে জিজ্ঞেস করুন, তার আগে আমি এরকম ছিলাম না। বরং হেলেন আমাকে যেভাবে চলতে বলত, সে আমার যা-ই মনে হোক না কেন, আমি সেভাবেই চলতাম। কিন্তু টিম…!
তারপর ডাইভোর্স পেপার ফাইল হল। আমি কোনো আপত্তি করলাম না। ভেবেছিলাম, যদি টিমকে বিয়ে করে ও সুখী হয়, তাহলে আমিও আমার মতো থাকব। কিন্তু ক-দিনের মধ্যেই খবর পেলাম, টিম ওই মির্টল জেনিসনের পেছনে লেগেছে। আমার মনে হল, এই বজ্জাতটা হেলেনের জীবন বরবাদ করার পর আরেকটা মেয়েকে ধরেছে। একে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
লেকের ধারে টিমের সঙ্গে দেখা হওয়াটা অবশ্য প্ল্যান করে হয়নি। আমরা দু-জনেই একটু বেশি মদ্যপান করেছিলাম সেই রাতে। তাও বলব, আমি নয়, বরং ও-ই আগে বন্দুক বের করেছিল। আমার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় ওর। তখনই গুলি চলে। আমি জায়গাটা ছেড়ে পালিয়েই যেতাম। কিন্তু একটা ঝোপের আড়ালে গিয়ে বুঝতে পারি, হতভাগা মরেনি। বরং গুঙিয়ে গুঙিয়ে কিছু বলছে! দেখি, মির্টল জেনিসনও ছুটতে ছুটতে ওর দিকে আসছে। মেয়েটা ওর কাছে এলে আমিও এমনভাবে সিনে এন্ট্রি নিই যাতে মনে হয়, আমি তক্ষুনি ওখানে এলাম।’
গলির কাদা আর নোংরায় বসে বলে চলল ম্যাকসোয়েন।
‘হুইস্পারকে এর মধ্যে আনার কোনো পরিকল্পনাই আমার ছিল না। কিন্তু মেয়েটা নিজেই দু-শো ডলার, ওই ফালতু হিরের আংটি এসব দিয়ে আর টিমের লেখাটা দেখিয়ে আমাকে জিনিসটা আত্মহত্যা বলে চালাতে বলল! তার পরেও আমি চুপচাপ ছিলাম। চাকরি চলে গেলেও এই নিয়ে কিছু করার ইচ্ছে বা সাহস আমার হয়নি। তারপর আপনি এলেন, আর খুঁড়ে বের করলেন এইসব। তবে মজার কথা কী জানেন? ওই খুনের এক সপ্তাহ পর একটা দুর্ঘটনায় হেলেন মারা গেল! মানে টিম মরেও বেঁচে গেল। আর আমি বেঁচেও…’
‘মক লেক কি এই কাউন্টি?’ আমি জিজ্ঞেস করলাম।
‘না। বোল্ডার কাউন্টি।’
‘ওটা নুনানের এলাকার বাইরে। আপনাকে ওখানে শেরিফের হাতে তুলে দিলে কেমন হবে?’
‘কোনো লাভ হবে না। ওখানের শেরিফ টম কুক সেনেটর কিফারের জামাই। কিফার আর নুনান জিগরি দোস্ত। কেস আদালতে যাওয়ার আগেই নুনান আমার নাগাল পেয়ে যাবে।’
‘চলুন।’ আমি বন্দুক নাচিয়ে বললাম, ‘তাহলে সিটি হলেই যাওয়া যাক। মুখ বন্ধ রাখবেন।’
নুনান ওর আশেপাশের পুলিশদের উদ্দেশে চোখা চোখা গালাগাল নিক্ষেপ করা আর পায়চারিতে ব্যস্ত ছিল। আমি ম্যাকসোয়েনকে ওর দিকে এগিয়ে বললাম, ‘এই পথভোলা পথিকটিকে রাস্তায় পেলাম।’
প্রাক্তন ডিটেকটিভটিকে প্রথমে ঘুসি মেরে শোয়াল নুনান। তারপর গোটাকয়েক লাথি মেরে একজন পুলিশকে বলল, ওকে বন্ধ করে রাখতে। ইতিমধ্যে একটা ফোন এল নুনানের জন্য। আমি কথা না বাড়িয়ে ওখান থেকে বেরিয়ে পড়লাম।
হোটেলে আসার পথেই উত্তর দিকে বেশ কয়েকটা গুলির আওয়াজ পেলাম।
তিনজন সতর্ক লোক, একহাত কোটের ভেতর রেখে, আমার পাশ দিয়ে হেঁটে গেল এদিক-ওদিক দেখতে দেখতে।
একজন লোক আমাকে দেখে একেবারে অন্য ফুটপাথে চলে গেল। আমরা একে-অপরকে চিনি বলে মনে হয়নি আমার। কিন্তু লোকটার হাবভাব দেখে মনে হল, সে যেকোনো মুহূর্তে একটা গুলির আওয়াজ শোনার অপেক্ষায় আছে। মোড় ঘুরতে-না-ঘুরতে তেমন একটা আওয়াজ পেলামও।
হোটেলে ঢোকার আগেই দেখলাম, একটা গাড়ি একেবারে বোঝাই করে লোকে কোথায় জানি চলেছে। গাড়ি আর লোকগুলোর চেহারা বলছিল, তারা যুদ্ধে চলেছে।
বুঝতে পারলাম, পয়জনভিল নামক প্রেশার কুকার এবার সিটি দিতে শুরু করেছে। আমি নেহাতই বাইরের লোক। তবু ক-দিনেই এমন একটা অবস্থা তৈরি করতে পেরেছি ভেবে ব্যাপক গর্ব হল। একটা বারো ঘণ্টাব্যাপী ঘুম দিলাম এরপর। তার মধ্যে স্বপ্নে বা দুঃস্বপ্নে কারা এসেছিল, সেটা মনে নেই অবশ্য।
