Accessibility Tools

বইয়ের নাম - লেখক
আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার
আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার
0/26
আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

নরকযাত্রা – কৌশিক মজুমদার

নরকযাত্রা

“শশশ”

মিশা তাসের ঘর বানাতে বানাতে পুতুলঘরের দরজার দিকে তাক নয় বছরের দাদা বোবোর মাথা দরজা দিয়ে উঁকি দিচ্ছে।

“কী হল?” আগ্রহী মিশা শুধাল।

“একটা ম্যাজিক দেখবি?”

“হ্যাঁ, হ্যাঁ!”

“না, তুই বাবাকে বলে দিবি”, মাথাটা অদৃশ্য হয়ে গেল।

মিশা একলাফে উঠে দাঁড়িয়েই তাস-টাস সব উলটেপালটে বোবোর পিছু পিছু করিডরে ধাওয়া করল। বিকেল হয়েছে। যদিও বাবা এখন ঘুমোচ্ছে, তবুও মিশা কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না। গত বছর মা চলে যাবার পর থেকেই বোবো কেমন যেন অদ্ভুত মজাদার টাইপের আচরণ করে। ভালো করে করিডরের দুদিক দেখেশুনে পা টিপে টিপে অ্যাপার্টমেন্টের দরজার দিকে পা বাড়াল মিশা। আলগোছে উঁচু হয়ে— এই কদিনে এইসব কায়দা সে শিখে গেছে— শব্দ না করে ধীরে ধীরে ছিটকিনি খুলে ফেলল আর বেরিয়ে এল আটতলার ল্যান্ডিং-এ।

ল্যান্ডিং পুরো ফাঁকা। কোনও জনমনিষ্যি নেই। তার চোখ পড়ল দুটো আদ্যিকালের লিফটের দিকে আর দেখল তাদের একটা আটতলাতেই দাঁড়িয়ে আছে। দরজার খুদে কাচের জানালা দিয়ে ভিতরের আলো দেখা যাচ্ছিল। কেউ একটা নড়াচড়া করছে। ভিতরে কে জানি কী করছে। আবার পা টিপে টিপে সামনে এগিয়ে লিফটের দরজার পাল্লা কয়েক ইঞ্চি খুলে দিল সে। ওহহ, বোবো! লিফটের বোতামের প্যানেলের সামনে দাঁড়িয়ে কী অদ্ভুত সব কীর্তিকলাপ করে চলেছে! একবার ডান হাত দিয়ে তিনটে বোতাম একসঙ্গে টিপছে, আবার সেইসঙ্গেই বাঁ হাতে আরও দুটো বোতাম চেপে ধরে আছে। তারপর দুই হাতের দুটো তর্জনী খাড়া করে একটার পর একটা ওপর থেকে নিচে বোতাম টিপে যাচ্ছে। যখন ওর এইসব কীর্তি শেষ হল, লিফটের ওপরের আলোটা যেন একটু ঢিমে মনে হতে লাগল। মিশা একটানে গোটা দরজা খুলে দিল। বোবো চমকে পিছন ফিরে তাকাল মিশার দিকে।

“তুই এলি কেন?” রেগে ফিসফিসিয়ে বলল সে।

“তুই কী করছিস? গোপন কিছু?”

“হ্যাঁ”, বোবো বলল, “কিন্তু তোকে বলা যাবে না।”

“প্লিজ… প্লিইইজ…’

“তুই বলে দিবি।”

“না, না। প্রমিস। সত্যি প্রমিস।”

“ঠিক আছে। আয়। দেখাচ্ছি।”

মিশা ভিতরে ঢুকল। বোবো ঠোঁটে আঙুল দিয়ে চুপ করতে বলল তাকে।

“এটা করতে বিশাল মনোযোগ লাগে,” বোবো আপনমনেই বলে চলল। যখন ও এমনটা করে, মিশা বোঝে ও কিছু নিয়ে সত্যিই সিরিয়াস। মিশার চেয়ে বোবো মাত্র দুই বছরের বড়ো, কিন্তু ঢের বেশি বুদ্ধিমান আর দুই হাত দিয়ে দারুণ সব মজাদার কাজ করতে পারে। এই তো সেদিনই ও মিশাকে শিখিয়েছিল কীভাবে এক বিশেষভাবে আঙুল নাড়িয়ে স্বপ্নকে নিজের আওতায় রাখা যায়। সেই কায়দা করেই মিশা পরপর দশদিন ওর মাকে স্বপ্নে দেখতে পেয়েছিল। আবার ও মিশার দিকে পিছন ফিরে লিফটের বোতাম নিয়ে কী যেন করছে।

“এই যে”, ঘুরে দাঁড়িয়ে বোবো বললে, “আমি ব্যাপারটা সেট করে দিয়েছি। এবার G বোতামটা টিপছি, আর দেখ কী হয়।”

যেই না টেপা, আবার ওপরের আলো ঢিমে হয়ে গেল, আর লিফট নামতে থাকল ধীরে ধীরে। এ আর এমন কী ম্যাজিক? মনে হল মিশার। সে নিজে যখন বোতাম টেপে, এভাবেই তো লিফট নামে। আটতলায় ফ্লোরের দেওয়ালে লেখা 7 এক ঝলক দেখা গেল, তারপর একে একে 6 আর 5।

“ম্যাজিকটা কী রে দাদা?”

“দাঁড়া”, বোবো একটু চঞ্চল। চোখ কাচের জানলায়।

মিশা ওর মুখের দিকে তাকিয়ে মনের ভাব বোঝার চেষ্টা করল। মাঝে মাঝে ও সেটা পারেও। যেমন ও প্রায়ই বুঝতে পারে কখন বাবা ঘুম থেকে উঠবে। আবার যখন কাচের দিকে তাকাল তখন 2 সবে বেরিয়ে গেল। মিশা এবার চিন্তায় পড়ল। গ্রাউন্ড ফ্লোরের দারোয়ান তাদের দেখে ফেলে বাবাকে না জানিয়ে দেয়। 1 বেরিয়ে গেলে ও সিরিয়াসলি ভাবতে থাকল, দারোয়ানকে কী অজুহাত দেবে। ঠিক তারপরেই আপনাআপনি ও ম্যাজিকটা বুঝতে পারল। এক মুহূর্তের জন্য G দেখা দিয়েই লিফট নামতে থাকল আরও নিচে। মিশা জানে, ওদের অ্যাপার্টমেন্টে কোনও বেসমেন্ট নেই। কী হচ্ছে বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লাগল মিশার। কিন্তু বুঝতেই শিরদাঁড়া বেয়ে একটা শিহরন বয়ে গেল। বোবোর দিকে তাকিয়ে দেখল ও বেশ খুশিয়াল মুখে দাঁড়িয়ে আছে। “দারুণ ম্যাজিক”, উত্তেজনায় হাততালি দিয়ে উঠল মিশা। “আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি? কত নিচে?”

“ওই একটুখানি”, রহস্যভরা গলায় বলল বোবো।

“নিচে কী আছে?”

“বোধহয় খেলার মাঠ। শিওর না। আমি আজ অবধি একবারই নিচে গেছি। দেখ!” বলেই জানলার দিকে হঠাৎ আঙুল দেখাল সে।

মিশা দেখল জানলায় একটা বাচ্চার মুখ। কাঁদছে। মুখটা তার মতোই গোল, নিঃসঙ্গ, কিন্তু যেন বেশ কয়েক বছরের বড়ো। তারপর আর একটা মুখ। আর একটা। আরও একটা— একের পর এক মুখের সারি জানলায় ভেসে উঠেই মিলিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ সেই মুখের দল আসা বন্ধ করে দিল।

“ওরা কারা দাদা?”

“অনাথ”, বলে আবার লিফটের বোতাম নিয়ে কায়দাকানুন শুরু করল বোবো, “দেখতে থাক।”

মিশা আবার জানলার দিকে তাকাল। কিচ্ছু নেই। শুধু নিকষ কালো অন্ধকার। আচমকা একটা মুখের উদয় হল সেখানে। মিশা ভয়ে চমকে উঠল। মাঝবয়সি এক মহিলা, লম্বা শনের মতো চুল, তীক্ষ্ণ, ধারালো দাঁত, অপরিষ্কার মুখ আর লম্বা লম্বা নখ দিয়ে জানলার কাচে খামচি দিচ্ছে। তারপরেই মুখটা আবার এল। মুখের সংখ্যা বাড়তে লাগল। মিশার ভালো লাগছিল না। মিশা দারুণ ভয় পেয়ে গেল।

“দাদা থাম। আমার ভয় করছে।’

“ধুর বোকা। কখন থামিয়ে দিয়েছি। আমরা এখন ওপরে উঠছি। বাইরে অন্ধকার বলে বুঝতে পারছিস না।”

দুজনেই চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। কারও মুখে কোনও কথা নেই। বাইরে আর কিচ্ছুটি দেখা যাচ্ছে না।

“শেষের ওই মহিলা কে রে দাদা?”

“মনে হয় সৎমা।”

“যদি আমার একটা নিষ্ঠুর সৎমা থাকত”, মিশা উদাস চোখে বলে, “তবে তাকে আমি এইখানে ফেলে রেখে যেতাম। তোকে অবশ্য সাহায্য করতে হত।”

“সে তো বটেই। আমি তো আছি সাহায্যের জন্য। আমি আগেভাগে সব সেট করে রাখব, তাই তো? সে আসবে, গ্রাউন্ড ফ্লোরের বোতাম টিপবে, আর সোজা চলে যাবে আমরা যেখানে গেছিলাম। লিফট থামবে, ওরা দরজা খুলে ওকে নিয়ে যাবে আর রেখেই দেবে। ও আর সৎ ছেলেমেয়েদের সঙ্গে শয়তানি করতে পারবে না।”

“আমাদের একটা নিষ্ঠুর সৎমা থাকলে ভালোই হত, তাই না দাদা?”

“তুই মিথ্যে কথা বলছিস!”

“মা কালীর দিব্যি বাবা, আমি সারা বিকেল নিজের পুতুলঘরে ছিলাম। যেমনটা তুমি বলেছিলে।’

মি. কাপুর তাঁর রকিং চেয়ার ছেড়ে উঠে মিশার সামনে এসে দাঁড়ালেন। নিজের লম্বা শরীরটা একেবারে ঝুঁকিয়ে মিশার মুখের সামনে নিয়ে এলেন। মিশা দুই কচি কচি হাতে বাবার চড় আটকানোর চেষ্টা করল। কিন্তু উনি চড় মারলেন না। বরং মিশার মুখের খুব কাছে মুখ নিয়ে ঠান্ডা, রাগি গলায় বললেন, “দারোয়ান তোকে একতলায় দেখেছে। আমি জানি তুই মিথ্যে বলছিস।”

“কী করে দেখবে?” বিড়বিড় করে বলল মিশা, “আমি তো…”

“গুড, বল বল। আমি তো… কী?”

“দাদা আমাকে লিফটের ভিতরে ডেকে নিয়ে গেল একটা ম্যাজিক দেখাবে বলে, আর…”

এবার রাগে ফেটে পড়লেন মি. কাপুর। “আমি আর কোনও দিন তোর এই বানানো দাদার কথা শুনতে চাই না, ঠিক আছে?”

মিশা ঘাড় নাড়ে।

“আমি বুঝি না, এইসব আগডুম বাগডুম বানিয়ে তুই কী মজা পাস…”

তারপরই মিশাকে একটু স্বস্তি দিয়ে বাবা পড়ার ঘরে চলে গেলেন। মিশা আবার ভাঙা তাসের ঘর বানাতে বসল।

.

মিসেস কাপুর লম্বা আয়নার সামনে ব্লাউজ আর পেটিকোট পরে দাঁড়িয়ে যা দেখতে চাইছিলেন, দেখতে পেলেন। এখনও তাঁর চেহারায় অদ্ভুত এক চটক আছে। লো-কাট ব্লাউজ শুধু তাঁর সুডৌল স্তন দুটোকে ঢেকেই রাখে না, বেখেয়ালে প্রায়ই তাঁর শাড়ির আঁচল সরে গেলে বুকের উপরের প্রায় অর্ধেকটা নিরাবরণ হয়ে তাদের উন্মুক্তও করে। তাঁকে দেখে কেউ বলবে না তাঁর বয়স চল্লিশ ছুঁয়েছে। এমনকি, যে তাঁর রামি খেলার পার্টনার, মিসেস নন্দী, তাঁর পিছনে নানারকম বদনাম করলেও এটা অন্তত ধারণাই করতে পারবে না। আজ তাঁকে দেখে পার্টির মেয়েরা আবার জ্বলেপুড়ে ছারখার হবে।

প্রথমে তিনি শাড়ি পরলেন, চোখে আইশ্যাডো দিলেন, মাসকারা, লিপ গ্লস আর টিপ পরে বেরিয়ে এলেন ল্যান্ডিংয়ে। খানিক বাদেই লিফট এসে গেল। দরজা খুলে ভিতরে ঢুকলেন মিসেস কাপুর।

একটু অন্যমনস্ক হয়েই লিফটের G বোতামটা টিপে হ্যান্ডব্যাগ খুলে ডিয়োরের সেন্টটা বার করলেন। নিজের গভীর ক্লিভেজে স্প্রে করতে এতই ব্যস্ত ছিলেন যে টের পেলেন না লিফট নামার সঙ্গে সঙ্গে ওপরের আলোটা ঢিমে হয়ে গেল। মিসেস কাপুরের মন অন্যদিকে ছিল। তাঁর স্বামী তাঁকে বলেছেন ঠিক আড়াইটেয় নিচে নিতে আসবেন। যেন কোনওমতে দেরি না হয়। মি. কাপুর সময় মেনে চলেন আর নিচতলায় চাকর, ড্রাইভার আর ঝিদের সামনে অপেক্ষা করা মিসেস কাপুরের বিলকুল নাপসন্দ। এমন ভাব যেন এদের কোনও অস্তিত্বই নেই। অন্যদিকে তাঁর দেরি হলে মি. কাপুর অস্থির হয়ে যাবেন। এসব নিয়ে বেশ টেনশনেই আছেন তিনি। কাচের জানলার দিকে চেয়ে তিনি দ্রুত 2 পেরোতে দেখলেন। এবার। আসার প্রতীক্ষা। মিসেস কাপুর সেকেন্ড গুনছিলেন। ছয় সেকেন্ড বাদে এল আর চলেও গেল। তারও ঠিক ছয় সেকেন্ড বাদে; এল আর এমনভাবে পেরিয়ে গেল যেন তা নিতান্ত সাধারণ একটা ঘটনা।

অবিশ্বাস আর তারপর শিরশিরানি একটা ভয় মিসেস কাপুরের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে ছড়িয়ে পড়ল সহসা। শুধু এক অজানা জিজ্ঞাসা আর আতঙ্কভরা দৃষ্টি চেয়ে রইল তাঁর সামনের কাচের জানলার দিকে। যেন কোনও সাইলেন্ট সিনেমার মতো সামনের কাচ আয়নায় পরিণত হয়ে তাঁর মুখের অজস্র প্রতিবিম্ব ফুটিয়ে তুলছে। তিনি পাগলের মতো বোতাম টিপতে থাকলেন। বেশ কয়েকবার জোরে চাপ দিলেন ইমারজেন্সি বাটনে। মাথার ওপর প্রচণ্ড জোরে একটা ঝনঝনে শব্দ যেন কানে তালা লাগিয়ে দিল। আর ঠিক তারপরেই সেই আওয়াজ যেন দ্রুত দূরে, বহুদূরে মিলিয়ে যেতে লাগল।

মিসেস কাপুর দুই হাতে নিজের মাথার চুল মুঠো করে ধরলেন। মাথার সুন্দর বেণি এলোমেলো হয়ে গেল। সোজা চুল লুটিয়ে পড়ল কালো শনের দড়ির মতো। হঠাৎ তিনি এক লহমার জন্য একটা বাচ্চা ছেলে আর মেয়েকে দেখতে পেলেন সেই আয়নায় আর ঘুরে গিয়ে লম্বা নখ দিয়ে পাগলের মতো আঁচড়াতে লাগলেন আয়নার চকচকে মসৃণ তলটাকে। তারপর ধীরে ধীরে তাঁর শরীর এলিয়ে পড়ল। চোখ খোলা। স্থির। পা দিয়ে ক্রমাগত লাথি মারছেন কোনও অদৃশ্য বস্তুকে। তাঁর জর্জেট শাড়ি ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েছে গোটা লিফটের চাতালে। লিফট থেমে গেল।

দরজা খুলতেই ভিতরের দৃশ্য দেখে দারোয়ান চমকে গেল। আরও যারা ইমার্জেন্সি বেল শুনে দৌড়ে এসেছিল, সবাই দেখল দারোয়ান এক গাঢ় লাল কাপড়ে মোড়া দেহকে বার করে নিয়ে আসছে। এ কি মানুষ? নাকি পশু? এই প্রাণীটা অদ্ভুত কণ্ঠস্বরে চিৎকার করছে, ঘোঁত ঘোঁত আওয়াজ করছে, পাগলের মতো ছটফট করছে আর নিজের সৎ ছেলেমেয়েদের নামে যাচ্ছেতাই গালাগাল করে জামাকাপড় ছিঁড়ছে। সারা মুখ, চিবুকে লালায় মাখামাখি।

ছোটোখাটো একটা ভিড় জমতে না জমতে তাঁর লম্বা, জোয়ান স্বামী মি. কাপুর এসে হাজির। তিনি এসে তাঁর পাগলপ্রায় স্ত্রীকে যখন মাটি থেকে উদ্ধার করলেন, ততক্ষণে মিসেস কাপুরের সারা দেহ ধুলো আর চোখের জলে মাখামাখি। তিনি চিৎকার করে বলছেন তাঁর এই দশা তাঁর সৎ ছেলেমেয়েরা করেছে। তাঁর স্বামী, মি. কাপুর অবাক বিস্ময়ে তাঁকে এক যন্ত্রের মতো ঝাঁকাতেই লাগলেন আর মুখে এক ঘ্যানঘ্যানানি মন্ত্রের মতো বলে চললেন যে তাঁদের কোনও সন্তান কিংবা সৎ ছেলেমেয়ে নেই।

.

অনুবাদকের জানি- মুকুল শর্মা আদতে সাংবাদিক। কিন্তু তাঁর লেখা মবিয়াস ট্রিপস গল্পটা পড়ে খুব আপশোস হয়েছিল। এই ভদ্রলোক ডার্ক ফ্যান্টাসি কেন আরও লিখলেন না! যাই হোক, সুযোগ পেয়ে অনুবাদ পত্রিকায় অনুবাদ করেছিলাম এটা। শেষটা যতবার পড়ি চমকে উঠি।