আম-সন্দেশ
সোনা ঘুমাল
খোকন সোনা চাঁদের কোণা,—
খোকার মাসি এল দেশে,
আকাশের চাঁদ পাতালের চাঁদ
ধরে এনেছে…ছে!—
জোছনা জোছনা, ফটিক ফুটেছে!
দেখি চাঁদ দেখি চাঁদ
কোন দেশের ফল?—
দুই পাড়েতে ফেটে পড়ে
রূপ ঝলমল!
দুই পাড়ে রে রূপের সাগর,
গোলায় আছে ধান,—
মায়ের কোলে শোন রে যাদু
ঘুমপাড়ানি গান।
শুনে শুনে খোকন-মণির
দু—পু—র রাত,—
কেঁদে যে চাঁদ ফিরে গেল,
কেউ দিল না ডাক।
কেউ দিল না ডাক রে—খোকন ঘুমিয়ে পড়েছে,
খেয়ে খোকন আম-সন্দেশ ধুলোয় লুটেছে!
ধুলার বড়ো ভাগ্যি, খোকন গায়ে মেখেছে!
খোকার মা লো খোকার মা!
তোর সোনা ঘুমাল,—
আঁচল পেতে তুলে নে যা—
পাড়া জুড়াল।
ও—মা লো মা!
এমনি দস্যি ছেলে-তার ঘুম আসে না!
সমাপ্ত
.
শেষ
এক যে রাজা
খেতেন খাজা
তাঁর যে রানি
খেতেন ফেনি,
তাঁর যে নফর
সে যায় সফর,
রাজার পুত্র মুরলী
সকল কথা ফুরলি।
.
ফুরাল
আমার কথাটি ফুরাল
নটে গাছটি মুড়াল।
‘কেন রে নটে মুড়ালি?’
‘গোরুতে কেন খায়?’
‘কেন রে গোরু খাস?’
‘রাখাল কেন চরায় না?’
‘কেন রে রাখাল চরাস না?’
‘বউ কেন ভাত দেয় না?’
‘কেন লো বউ ভাত দিস না?’
‘কলাগাছ কেন
পাত ফেলে না?’
‘কেন রে কলাগাছ
পাত ফেলিস না?’
‘জল কেন হয় না?’
‘কেন রে জল হস না?’
‘ব্যাং কেন ডাকে না?’
‘কেন রে ব্যাং ডাকিস না?’
‘সাপে কেন খায়?’
‘কেন রে সাপ খাস?’
‘খাবার ধন খাবনি? গুড় গুড়ুতে যাবনি?’
***
