Accessibility Tools

বইয়ের নাম - লেখক
পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী
0/50
New Courseপেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

বাঁশবনের বামনি – মঞ্জিল সেন

অনেক চেষ্টা করেও নিখিলেশ সাড়ে তিনটার আগে আপিস থেকে বেরুতে পারল না। মাড়োয়ারি ফার্ম, কাজ শেষ না করে বেরুবার উপায় নেই, শনিবারের হাফ- ডে বলেও কিছু নেই। বেরিয়েই ছুটল হাওড়া স্টেশনে, সোয়া চারটায় লোকাল ট্রেনটা ওকে ধরতেই হবে, নইলে ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যাবে।

নিখিলেশের আপিসপাড়ার বন্ধু হল অখিল। পাশাপাশি আপিসে চাকরি করে, টিফিনের সময় বাইরের ফুটপাতে খাবার খেতে গিয়ে আলাপ। তা আপিসপাড়ায় ফুটপাতে দোকানিরা খাবারের যা পসরা সাজিয়ে বসে, তা দেখে জিভে জল এসে যায়। অস্বাস্থ্যকর কিনা সেটা আর ভেবে দেখার সময় থাকে না। যার পকেটে যেমন পয়সা তেমন বেছে নাও। নিখিলেশ সাধারণত দু-পিস টোস্ট আর একটা সিঙ্গাপুরী কলা দিয়েই টিফিন সারে। কিন্তু ডিমের ডালনা কি চপ-কাটলেট মাঝে মাঝে যেন হাতছানি দেয়, টানাটানি থাকলেও লোভ সামলাতে পারে না। এই খেতে গিয়েই অখিলের সঙ্গে আলাপ। নিখিলেশ লক্ষ করেছিল ভদ্রলোক প্রায় দিনই ওই সব দামি খাবার খান, জামাকাপড় দেখেও বোঝা যায় ভালোই চাকরি করেন। ওরই সমবয়সি।

আলাপ হবার পর অখিল জোর করে ওকে চপ-কাটলেট খাইয়েছিল। নিখিলেশের কোনো আপত্তি শোনেনি। অখিল একটা ভালো সওদাগরি আপিসে চাকরি করে, গ্রামে বাড়ি-জমি সব আছে। ডেলি প্যাসেঞ্জারি করে। নিখিলেশ মেসে থাকে শুনে বলেছিল, তবে তো আপনার খাওয়া-দাওয়ার কষ্ট, গিন্নির হাতের রান্না কপালে জোটে না।

নিখিলেশ হেসে জবাব দিয়েছিল, সে সব বালাই ওর নেই। মেদিনীপুরে মাথা গুঁজবার একটা চালা আছে, আর আছে বিধবা মা, এক অবিবাহিতা বোন আর বেকার এক ভাই। এই সব ভালো ভালো খাবার ওর কাছে যে বিলাসিতা সেকথা ও গোপন করেনি। অখিল ওর বাড়ির অবস্থা জানার পর মনে মনে দুঃখ পেয়েছিল। তাই মাঝে মাঝে বাড়িতে ভালো কিছু রান্না হলে আপিসে নিয়ে আসত, নিখিলেশকে বলত ওর বউ পাঠিয়েছে— ওদের দু-জনের জন্য। নিখিলেশের আত্মসম্মানে যাতে ঘা না লাগে, তাই এই ব্যবস্থা করেছিল অখিল। আসলে নতুন বন্ধুটিকে খুব ভালো লেগেছিল ওর। নিখিলেশ যে ব্যাপারটা বুঝত না তা নয়, কিন্তু চুপ করে থাকত। প্রতিবাদ করতে গেলে যদি বন্ধুবিচ্ছেদ হয়! তা ছাড়া বছরের পর বছর মেসে থেকে মোচার ঘণ্ট, ধোঁকার ডালনা এসবের স্বাদ তো ও ভুলেই যেতে বসেছিল।

ওদের বন্ধুত্বটা কিন্তু বেশিদিনের নয়, এক বছরের কি দেড় বছরের। এর মধ্যে কয়েক বারই অখিল তার বন্ধুকে দেশের বাড়িতে নিয়ে যেতে চেয়েছিল, কিন্তু নিখিলেশ সময় করে উঠতে পারেনি। বেকার ভাইকে গত মাসে একটা মুদির দোকান করে দিয়েছে, তাই নিয়ে কিছুদিন ব্যস্ত ছিল। তা ছাড়া বোনের বিয়ের ব্যাপারে ছুটি-ছাটার দিন ছুটোছুটি করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এক জায়গায় কথা অনেকটা এগিয়েছে, পাত্রপক্ষের তেমন কিছু দাবিদাওয়া নেই। নিখিলেশের মন অনেকটা হালকা।

অখিল দিনকয়েক আপিসে আসছিল না। নিশ্চয়ই অসুখ-বিসুখ করেছে। নিখিলেশ ভাবছিল একবার গিয়ে দেখে আসবে কিনা। এই সময় অখিলের চিঠি এল। ওর ম্যালেরিয়া হয়েছে, খুব কাহিল হয়ে পড়েছে, যদি সম্ভব হয় নিখিলেশ একবার যেন তাকে দেখে আসে। তাই এই শনিবার নিখিলেশ চলেছে বন্ধুর বাড়ি।

হাওড়া স্টেশন থেকে দেড় ঘণ্টার পথ। লোকাল ট্রেন ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি থামে না বলেই সময়টা একটু বেশি লাগে। পৌঁনে ছ-টায় ও যখন ট্রেন থেকে নামল তখন শেষ বিকেলের আলো ছড়িয়ে পড়েছে চারদিকে। তার পরেই ঝপ করে অন্ধকার নেমে আসবে।

স্টেশনে বেশ কিছু লোক নেমেছিল। তাদের দু-একজনকে অখিলের বাড়ির রাস্তাটা জিজ্ঞেস করতেই একজন বলল সে ওই পাড়াতেই যাবে, অখিলের বাড়ি ছাড়িয়ে দুটো বাড়ির পর, নিখিলেশ তার সঙ্গ নিল।

কাঁচা রাস্তা, আশেপাশে দালান-কোঠা চোখে পড়লেও জায়গাটার তেমন উন্নতি হয়নি, পাড়াগাঁই বলা চলে। পথের দু-পাশে ঝোপঝাড়, রাস্তায় আলো নেই। গোটা দুয়েক মোড় পেরোতে হল, সঙ্গের লোকটি না থাকলে অসুবিধেই হত। ওকে দেখে অখিল তো মহা খুশি। বেচারা ম্যালেরিয়ায় ভুগে রোগা হয়ে গেছে, গলা দিয়ে চিঁচিঁ করে শব্দ বেরুচ্ছে, কিন্তু নিখিলেশকে দেখে ওর শরীরে যেন বল ফিরে এল। বউয়ের সঙ্গে আর পাঁচ বছরের মেয়ে মিনুর সঙ্গে বন্ধুর আলাপ করিয়ে দিল।

অখিলের স্ত্রী নিখিলেশকে রাতটা থেকে যাবার জন্য অনুরোধ করল, কিন্তু নিখিলেশ বলল ওকে রাত্রে ফিরতেই হবে। সকালবেলা বোনের বিয়ের ব্যাপারে আরাজি হবে। পাকা কথা বলতে ওকে সোনারপুর যেতে হবে। এর পর অবিশ্যি অখিল আর তার বউ আর পীড়াপীড়ি করল না।

অল্প সময়ের মধ্যেই অখিলের বউ গরম গরম লুচি, বেগুন ভাজা আর ডিমের ডালনা দিয়ে ওকে পেট পুরে খাইয়ে দিল। সব শেষে আগে থেকে বানানো এক বাটি ঘন দুধ ওর সামনে নামিয়ে দিয়ে বলল, ‘এ কলকাতার জল দেওয়া দুধের ক্ষীর নয়, আমাদের নিজেদের গোরুর দুধের, খেয়ে দেখুন।

সত্যিই অপূর্ব!

অখিলের মুখেই নিখিলেশ শুনল ওদের যা জমি-জমা আছে তাতে বছরকার ধান, তরি-তরকারি হয়েও উদ্‌বৃত্ত থাকে, তা বিক্রি হয়। একটা পুকুরও আছে, তাতে মাছ ছাড়া হয়, সেই মাছও বিক্রি হয়। গোয়ালে দুটো গোরু আছে। অবস্থা বেশ স্বচ্ছল।

ওখান থেকে বেরুতে বেরুতে রাত আটটা হয়ে গেল। অখিলই বলল, ‘নতুন জায়গা, সাবধানে যেও। পথ ভুল হয়ে গেলে লোকের কাছে জিজ্ঞেস করে নিও, কেমন?’ স্টেশন থেকে অখিলের বাড়ি বেশ দূরেই, হাঁটা পথে আধঘণ্টার কম নয়।

বাইরে ফুটফুটে জোছনা। কলকাতা শহরে জোছনার আসল রূপটা চোখে পড়ে না। মফঃস্বলে, গ্রামেগঞ্জে রুপালি আলোর যেন বন্যা বয়ে যায়। ধানের খেতের ওপর, ঝোপঝাড়ের ওপর, বাঁশঝাড়ের ওপর জোছনার আলো যেন গা ছমছম করা এক মায়া সৃষ্টি করে।

নিখিলেশ একটু অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিল। পেটটা বেজায় ভরে গেছে। হাঁটতে হাঁটতে অখিলের কথাই ভাবছিল নিখিলেশ। বেশ সুখী পরিবার। লক্ষ্মীমতী গৃহিণী। অল্প সময়ের মধ্যে কত কিছু খাইয়ে দিলেন, আর কী যত্ন! ওদের মেয়ে মিনুও খুব মিষ্টি। নিখিলেশ যখন বেরোচ্ছে, বলেছিল, ‘আবার এসো কাকু।’ ভগবান ওদের অভাব রাখেননি।

বেশ কিছুক্ষণ হাঁটার পর ওর হঠাৎ মনে হল ও বোধ হয় ঠিক পথে যাচ্ছে না। এতক্ষণে প্রথম মোড়টা পেরিয়ে আসা উচিত ছিল, কিন্তু এখনও সেই মোড়ে ও পৌঁছোল না কেন! তা ছাড়া বাঁ-দিকের ওই মস্ত বাঁশঝাড়টা তো আসার সময় চোখে পড়েনি। না, ওর পথ ভুল হয়েছে। কিন্তু ধারে-কাছে জন-মনিষ্যি ও চোখে পড়ে না, যাকে ঠিক রাস্তাটা জিজ্ঞেস করবে। এদিকে ন-টার ট্রেনটা না ধরতে পারলে আজ আর ট্রেন নেই, সারারাত এখানেই কাটাতে হবে। রীতিমতো দুশ্চিন্তায় পড়ল নিখিলেশ। বড়ো নির্জন জায়গা, আশেপাশে একটা বাড়ি চোখে পড়ছে না; এখন কি আবার উলটো পথ ধরবে!

ঠিক তখুনি ও দেখতে পেল বাঁশঝাড়ের পাশ দিয়ে কে যেন আসছে। দূর থেকে মনে হচ্ছে একটা সাদা মূর্তি কাছে আসতেই বুঝতে পারল সাদা কাপড় পরা একটি বউ, ঘোমটায় মুখ ঢাকা। এমন লজ্জাবতীর কাছে পথের হদিস পাওয়া যাবে কি! তবু ও বলল, ‘স্টেশনের পথটা কোনদিকে বলতে পারেন? আমি ভুল পথে চলে এসেছি।’

বউটি থমকে দাঁড়াল, তারপর হাতের ইঙ্গিতে ওকে তার অনুসরণ করতে বলে পেছন ফিরে হাঁটতে লাগল। নিখিলেশ নিশ্চিন্ত মনে তার অনুসরণ করল। যাক, ওকে আর গোলকধাঁধার মধ্যে ঘুরে বেড়াতে হবে না।

বাঁশঝাড়ের পাশ দিয়ে বউটির পেছন পেছন একটা প্রান্তরে এসে পড়ল নিখিলেশ। ওর কেমন যেন সন্দেহ হল। এ কোথায় নিয়ে এল তাকে বউটি! প্রান্তর পেরিয়ে স্টেশনের আলোর কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। কাছেই কয়েকটা শেয়াল ডেকে উঠল! গা ছমছম করে উঠল নিখিলেশের। কে এই বউটি, এমন জায়গায় তাকে নিয়ে এল কেন!

‘আপনি আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?’ নিখিলেশ বলে উঠল, ‘এদিকে তো স্টেশন নয়।’

এবার বউটি ঘুরে দাঁড়াল। নিখিলেশের থেকে মাত্র কয়েক হাত দূরে সে দাঁড়িয়ে আছে। তারপরই ঘোমটা খুলে ফেলল বউটি আর ভীষণ চমকে উঠল নিখিলেশ। আলুথালু কেশ, ভাঁটার মতো চোখ, মুলোর মতো দাঁত— এ তো মানবী নয়, পেতনি!

ভীষণ আতঙ্কে হিম হয়ে গেল ওর শরীর, তারপরই অন্ধের মতো ও দৌড়ল। কোথায় যাচ্ছে, কোনদিকে যাচ্ছে কিছুই খেয়াল নেই, ওর শুধু একটাই চিন্তা, যেমন করেই হোক এই প্রেতিনির কাছ থেকে দূরে যেতে হবে। ও ছুটছে আর মনে মনে মা কালীকে জপ করছে। ওর পেছনে ভেসে আসছে খল খল হাসি, ওটা ওকে ছাড়ছে না, পেছন পেছন আসছে।

হঠাৎই এক জায়গায় আলোর চিহ্ন চোখে পড়ল ওর। কেউ যেন আগুন জ্বালিয়ে কিছু করছে। পড়ি-মড়ি সেই আগুন লক্ষ্য করে ও ছুটল আর জোরে জোরে মা কালীকে ডাকতে লাগল।

আগুনের কাছে এসে ও আবার চমকাল। একজন জটাধারী মানুষ আগুন জ্বালিয়ে ধ্যানে মগ্ন হয়ে আছেন। একটা হরিণের ছালের ওপর তিনি বসে আছেন, সামনে কমণ্ডলু আর একটা…একটা মড়ার মাথার খুলি। আরও কিছু পূজার উপাচার সাজানো রয়েছে আর সামনে রয়েছে ভীষণদর্শনা শ্মশানকালীর একটা ছোটো মূর্তি। নিখিলেশ বুঝতে পারল ও একটা শ্মশানে দাঁড়িয়ে আছে আর যিনি ধ্যানমগ্ন তিনি একজন কাপালিক। স্টেশনের পথ দেখাবার ছলে ওকে এই শ্মশানে নিয়ে এসেছে প্রেতিনিটা, বোধ হয় ওকে সাবাড় করার মতলব ছিল। আশেপাশে কিছু মানুষের হাড়ও চোখে পড়ল ওর।

ও সেই কাপালিকের পায়ে লুটিয়ে পড়ল, আর দাঁড়াবার ক্ষমতা ওর নেই। ধ্যানে বাধা পড়ায় ভীষণ বিরক্ত হয়ে তাকালেন সেই কাপালিক, জবাফুলের মতো তাঁর দু-চোখ লাল।

‘কে তুমি? কী করছ এখানে?’ প্রায় গর্জন করে উঠলেন তিনি

নিখিলেশ একনিশ্বাসে তার বিপদের কথা খুলে বলল, একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সেই শ্বেতবসনা মূর্তিকে দেখিয়ে বলল, ‘ওই দেখুন, এখনও দাঁড়িয়ে আছে, আমাকে রক্ষা করুন!’

কাপালিকের কপালে গভীর রেখা পড়ল। তিনি কমণ্ডলু থেকে হাতে জল নিয়ে বিড়বিড় করে কী মন্ত্র পড়লেন তারপর সেই মূর্তির দিকে ছিটিয়ে বললেন, ‘দূর হ!’

চোখের নিমেষে অদৃশ্য হয়ে গেল সেই মায়াবিনী মূর্তি। কাপালিক বললেন, ‘এই রাতটা এখানেই থেকে যাও, ওটা ওই বাঁশঝাড়েই থাকে। নতুন কোনো মানুষ রাত্তিরে ওখানে এসে পড়লে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে শ্মশানে নিয়ে আসে, তারপর—’

কাপালিক কথাটা শেষ করলেন না, কিন্তু নিখিলেশের সর্বাঙ্গ কেঁপে উঠল। ও বলল, ‘কে ও?’

‘যখন বেঁচে ছিল’, কাপালিক বললেন, ‘ওর নাম ছিল সদু বামনি। বিধবা, ছেলে-মেয়ে ছিল না। খুব ছিল দুষ্টু স্বভাবের আর ওর ঝগড়ার চোটে গাঁয়ের লোক অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত ওকে একঘরে করা হয়। ও নাকি বলেছিল পেতনি হয়ে সবার ওপর শোধ নেবে। পুরুষ মানুষের ওপরেই ছিল ওর যত রাগ। ওই বাঁশঝাড়েই গলায় কাপড় দিয়ে ঝুলেছিল। যাক, আর কথা নয়। তুমি এখানেই শুয়ে পড়ো।’ তারপরই তিনি দু-চোখ বুজলেন।

ভীষণ উত্তেজনায় অবসন্ন হয়ে পড়েছিল নিখিলেশ। ওই মাটির ওপরেই ও শুয়ে পড়ল, গাঢ় ঘুম আচ্ছন্ন করে ফেলল ওকে। যখন ঘুম ভাঙল, পুব আকাশ লাল। কাপালিক তখনও ধ্যানমগ্ন, একটু পরেই তিনি চোখ খুললেন। হেসে বললেন, ‘আর ভয় নেই, দিনের বেলায় ওদের কোনো ক্ষমতা থাকে না। তুমি এবার যেতে পারো।’

দিনের আলোয় গত রাত্রির ঘটনা মনে হচ্ছিল যেন দুঃস্বপ্ন। তবু ওই বাঁশঝাড়ের পাশ দিয়ে যাবার সময় গা ছমছম করে উঠল নিখিলেশের। একটু জোরেই পা চালিয়ে পার হল জায়গাটা।

[ শুকতারা, বৈশাখ ১৪০৪ (এপ্রিল ১৯৯৭) ]